আজওয়া হলো বেহেশতের খেজুরের অন্তর্ভুক্ত এবং এটা বিষের প্রতিষেধক। (তিরমিজি, হাদিস : ২০৬৮)
রাসুল (সা.)-এর প্রিয় ফল ছিল খেজুর। এর উপকারিতা অপরিসীম। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালবেলা সাতটি আজওয়া (উৎকৃষ্ট) খেজুর খাবে, সেদিন কোনো বিষ ও জাদু তার ক্ষতি করবে না। (বুখারি, হাদিস : ৫৪৪৫)
আজওয়া খেজুরের উপকারিতা
- আজওয়া খেজুর কে ইসলাম ধর্মে সকল বিষের মহৌষধ বলা হয়।
- এই খেজুর আপনার ফুসফুস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার (Cavity Cancer) এর প্রতিরোধক।
- অন্তঃসত্ত্বা নারীদের সন্তান জন্মদানের সময় আজওয়া খেজুর খেলে জরায়ুর মাংসপেশির প্রসারণ ঘটিয়ে প্রসব হতে সাহায্য করে।
- নারীদের প্রসব-পরবর্তী রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা কমিয়ে দেয়।
- এতে আছে ডায়েটারই ফাইবার (Dietary Fiber) যা আপনাকে কোলেস্টোরল থেকে মুক্তি দিবে।
- এই খেজুরে ৭৭.৫% কার্বোহাইড্রেট রয়েছে, যা দেহের জন্য বিকল্প শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।
- আজওয়া খেজুরে রয়েছে ৬৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৭.৩ মিলিগ্রাম লৌহ – যা আপনার শরীরের হাড়, দাঁত, নখ, ত্বক, চুল ভালো রাখতে সহায়তা করে।
- দেহের স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
- আজওয়া খেজুর খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কম হয়।
- হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, লিভার ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।
- এই খেজুর ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
- ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই খেজুর আমাদের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে।
- নারীদের শ্বেতপ্রদর ও শিশুর রিকেট (Rickets Disease) নিরাময়ে বেশ কার্যকরী।
- পেটের গ্যাস কমায়, শ্লেষ্মা ও কফ দূর করে, শুষ্ক কাশি এবং এজমায় বেশ উপকারী এই আজওয়া খেজুর।
- উচ্চমাত্রার শর্করা, ক্যালরি সম্পন্ন হওয়ায় এই খেজুর জ্বর, মূত্রথলির ইনফেকশন, যৌনরোগ, গনোরিয়া, কণ্ঠনালির ব্যথা বা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করতে বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

Reviews
There are no reviews yet.